হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ঋণমান ‘‌ডাবল এ টু’

সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ টু’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-টু’।

সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ টু’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-টু’। কোম্পানিটির সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ৮৭ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৬ জুন সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ মে। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়ালসের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৯৬ পয়সায়। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৬ টাকা ৫৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে হাইডেলবার্গ পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকা ২০ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে হাইডেলবার্গের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬০ টাকা ৭ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল টাকা ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬৬ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৬৯ টাকা ৬২ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। আগের হিসাব বছরে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৮ হিসাব বছরে ৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৮৯ সালে দেশের পুঁজিবাজারে আসা হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩২৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩ হাজার ৫৮০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬০ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ৪১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

গতকাল ডিএসইতে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের শেয়ার সর্বশেষ ২০৩ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৭১ থেকে ৩৭১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

আরও